আদালত

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০ (১৫:২০)

ধর্ষণ মামলায় দেশে প্রথম ফাঁসি

ধর্ষণ মামলায় দেশে প্রথম ফাঁসি

টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর উপজেলার ছাব্বিসা গ্রামের এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ করে গণধর্ষণ মামলার রায়ে পাঁচজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণাকালে দুইজন আসামি উপস্থিত ছিল। বাকি তিনজন আসামি পলাতক রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) অধ্যাদেশে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করার পর এটাই ধর্ষণ মামলায় দেশে কোনো মৃত্যুদণ্ডাদেশের প্রথম আদেশ।

এর আগে গত সোমবার ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০০০’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। পরদিন সেই অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত দণ্ডিত দুইজন আসামি হলেন-মধুপুর উপজেলার চারালজানী গ্রামের বদন চন্দ্র মণি ঋষির ছেলে সঞ্জিত (২৮), এই উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের শ্রি দিগেন চন্দ্র শীলের ছেলে গোপি চন্দ্র শীল (৩০)।

পলাতক আসামিরা হলো, একই এলাকার সুনীল চন্দ্র শীলের ছেলে সাগর চন্দ্র শীল (৩৩), সুনিল মণি ঋষির ছেলে সুজন মণি ঋষি (২৮) ও মণিন্দ্র চন্দ্রের ছেলে রাজন চন্দ্র (২৬)।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি নাছিমুল আকতার জানান, ২০১২ সালে দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের সাগর চন্দ্র শীলের সাথে মোবাইলের মাধ্যমে ভূঞাপুর উপজেলার মাদ্রাসাছাত্রী ওই ভিকটিমের পরিচয় হয়। একই বছরের ১৫ জানুয়ারি ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে মাদ্রাসা যাওয়ার পথে সকালে ভুয়াপুর উপজেলার সালদাইর ব্রীজের কাছে পৌঁছলে সাগর কৌশলে একটি সিএনজিতে এলেঙ্গা নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে মধুপুরে চারাল জানী গ্রামে তার বন্ধু রাজনের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তার চার বন্ধু তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। সাগর হিন্দু বলে তার প্রস্তাব প্রত্যাখান করে। পরে ঐ রাতে সাগর রাজনের বাড়িতে আটক রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ১৭ জানুয়ারি রাতে তাকে বংশাই নদীর তীরে নিয়ে যায়। সেখানে তারা পাঁচজনে মিলে পালাক্রমে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ফেলে রেখে চলে যায়।

পরদিন ভোরবেলা স্থানীয়দের সহায়তায় ভিকটিমের বাড়িতে মোবাইলের মাধ্যমে খবর পাঠানো হলে স্বজনরা এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে ভিকটিম বাদী হয়ে ভুয়াপুর থানায় ১৮ জানুয়ারি দণ্ডিতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ সুজন মণি ঋষিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে। ১৯ জানুয়ারি আসামি সুজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। সুজন তার জবানবন্দিতে সাগর, রাজন, সনজিত ও গবি চন্দ্র জরিত থাকার কথা উল্লেখ করে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরিক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। পুলিশ তদন্ত শেষে ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দায়ের করে। পরে ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মধ্যদিয়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

এছাড়াও রয়েছে

ডিআইজি প্রিজনস বজলুর রশীদ জামিন পেলেন

তিন দিনের রিমান্ডে ইরফান ও জাহিদ

বুয়েটছাত্র আবরার হত্যা মামলায় আরও একজনের সাক্ষ্য

রিফাত হত্যা: অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিচার চলছে, নিরাপত্তা জোরদার

রিফাত হত্যা মামলায় ১১ আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড, ৩ জন খালাস

রিফাত হত্যা মামলায় অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির রায় মঙ্গলবার

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা জারি

পি কে হালদার দেশে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতারের নির্দেশ

আরও খবর

  • কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় এএসআই গ্রেপ্তার

    কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় এএসআই গ্রেপ্তার

  • ভারতে আসছে আরও ১৬টি ‘রাফাল’

    ভারতে আসছে আরও ১৬টি ‘রাফাল’

  • আর্মেনিয়ার মিসাইল হামলায় নিহত ২১

    আর্মেনিয়ার মিসাইল হামলায় নিহত ২১

  • ফ্রান্সে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন ঘোষণা

    ফ্রান্সে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন ঘোষণা

সর্বশেষ খবর

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে নেই শাদাব

ডিআইজি প্রিজনস বজলুর রশীদ জামিন পেলেন

ফ্রান্সে চার্চের সামনে নারীর শিরচ্ছেদ, আরও দুইজন খুন

মুক্তিযোদ্ধাদের নামের পূর্বে 'বীর' লেখার বিধান করে গেজেট